রাষ্ট্র বিজ্ঞান
রাষ্ট্র ও সরকারের মধ্যে বিদ্যমান পার্থক্যগুলো আলোচনা কর।
মোঃ আব্দুল আলিম
প্রকাশঃ ৭ নভেম্বর ২০২৫, ৯:০৭ পিএম

মানুষের সামাজিক জীবনযাপনের সর্বোচ্চ রূপ হিসেবে রাষ্ট্র ব্যবস্থা আমাদের প্রতিদিনের অস্তিত্বকে নিয়ন্ত্রণ করে। আমরা যে মুহূর্তে জন্মগ্রহণ করি, সেই মুহূর্ত থেকে শুরু করে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত রাষ্ট্রের সদস্য হিসেবে বসবাস করি। প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল এ কারণেই বলেছিলেন, মানুষ জন্মগতভাবেই সামাজিক ও রাজনৈতিক জীব। তবে অনেকেই রাষ্ট্র এবং সরকার এই দুটি ধারণাকে একই মনে করেন, যা মূলত ভুল ধারণা। রাষ্ট্র এবং সরকার দুটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠান হলেও তারা পরস্পরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত।
রাষ্ট্র ও সরকারের মৌলিক পরিচয়
রাষ্ট্র হলো একটি সার্বভৌম রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন, যার নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার ব্যবস্থা, সার্বভৌমত্ব এবং স্থায়ীভাবে বসবাসরত জনসমষ্টি রয়েছে। এটি সমাজের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে মানুষের সমগ্র জীবন পরিচালনায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। ম্যাকেঞ্জি তাই যথার্থই বলেছেন, রাষ্ট্র যদি একটি জীবদেহ হয়, তবে তা এমন একটি জীবদেহ যা অসংখ্য জীবদেহের সমন্বয়ে গঠিত, যেখানে প্রত্যেকটির নিজস্ব জীবন রয়েছে।
অন্যদিকে সরকার হলো রাষ্ট্র গঠনের একটি অপরিহার্য উপাদান। সরকারের মাধ্যমেই রাষ্ট্রের ইচ্ছা, আদর্শ ও উদ্দেশ্য প্রকাশিত এবং বাস্তবায়িত হয়। সরকার সাধারণত তিনটি প্রধান বিভাগ নিয়ে গঠিত হয় - আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ এবং শাসন বিভাগ। এই তিনটি বিভাগের সমন্বিত কার্যক্রমের মাধ্যমে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাজ পরিচালিত হয়।
অস্তিত্বের প্রকৃতিগত পার্থক্য
রাষ্ট্র এবং সরকারের মধ্যে সবচেয়ে মৌলিক পার্থক্যটি হলো তাদের অস্তিত্বের প্রকৃতিতে। রাষ্ট্র একটি বিমূর্ত ধারণা। যদিও রাষ্ট্রের বিভিন্ন উপাদান যেমন ভূখণ্ড, জনসমষ্টি, সরকার বাস্তব এবং দৃশ্যমান, তবু রাষ্ট্র নিজে একটি কাল্পনিক বা ধারণাগত অস্তিত্ব। আমরা রাষ্ট্রকে প্রত্যক্ষভাবে দেখতে পারি না, কিন্তু এর উপস্থিতি অনুভব করতে পারি এবং ধারণা করতে পারি।
পক্ষান্তরে সরকার একটি বাস্তব ও দৃশ্যমান প্রতিষ্ঠান। সরকারের সদস্যদের আমরা দেখতে পারি, তাদের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করতে পারি। প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীসভা, সংসদ সদস্য, বিচারক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা - এরা সবাই সরকারের দৃশ্যমান অংশ। রাষ্ট্র যেখানে একটি বিমূর্ত রাজনৈতিক ধারণা, সরকার সেখানে সেই ধারণার বাস্তব প্রতিনিধি।
স্থায়িত্বের দিক থেকে বৈসাদৃশ্য
স্থায়িত্বের প্রশ্নে রাষ্ট্র এবং সরকারের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য রয়েছে। রাষ্ট্র একটি স্থায়ী ও শাশ্বত প্রতিষ্ঠান। একবার রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে তা দীর্ঘকাল টিকে থাকে। বাংলাদেশ রাষ্ট্র ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এখনো একই রাষ্ট্র হিসেবে বিদ্যমান রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
কিন্তু সরকার পরিবর্তনশীল। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হয়, অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় অভ্যুত্থান বা বিপ্লবের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন ঘটে। বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর থেকে অনেক সরকার ক্ষমতায় এসেছে এবং চলে গেছে, কিন্তু বাংলাদেশ রাষ্ট্র অপরিবর্তিত রয়েছে। সরকারের পরিবর্তনে রাষ্ট্রের স্থায়িত্ব বিন্দুমাত্র ক্ষুণ্ণ হয় না। রাষ্ট্র একটি স্থিতিশীল প্রতিষ্ঠান হলেও সরকার নিয়মিত পরিবর্তিত হতে পারে এবং হয়েও থাকে।
প্রাতিষ্ঠানিক পরিসর ও আয়তন
প্রাতিষ্ঠানিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে রাষ্ট্র একটি বৃহৎ, ব্যাপক ও সার্বভৌম প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রের মধ্যে থাকে সমগ্র ভূখণ্ড, সব জনগোষ্ঠী, সকল প্রতিষ্ঠান এবং সামগ্রিক সার্বভৌমত্ব। রাষ্ট্র তার নিজস্ব সীমানার মধ্যে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী।
তুলনায় সরকার রাষ্ট্রের একটি অংশ বা উপাদান মাত্র। সরকার রাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন হিসেবে কাজ করে। রাষ্ট্রের চারটি অপরিহার্য উপাদানের মধ্যে সরকার একটি। অর্থাৎ সরকার রাষ্ট্রের তুলনায় আকার ও পরিসরে অনেক ছোট এবং সীমিত।
উপাদান ও শ্রেণিবিভাগের তারতম্য
রাষ্ট্র গঠনের জন্য চারটি অপরিহার্য উপাদান প্রয়োজন। এগুলো হলো নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, জনসমষ্টি, সার্বভৌমত্ব এবং সরকার। এই চারটি উপাদানের একটি অনুপস্থিত থাকলে রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না। যেমন ফিলিস্তিনিদের জনসমষ্টি আছে, ভূখণ্ডের দাবি আছে, তবে পূর্ণ সার্বভৌমত্ব না থাকায় তারা সম্পূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি।
অন্যদিকে সরকার রাষ্ট্রের এই চারটি উপাদানের মধ্যে মাত্র একটি। সরকার নিজে তিনটি প্রধান উপাদান নিয়ে গঠিত হয় - আইনসভা, নির্বাহী বিভাগ এবং বিচার বিভাগ। এই তিনটি বিভাগ রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে।
সরকারের প্রকারভেদও বহুমুখী হতে পারে। রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার, সংসদীয় পদ্ধতির সরকার, সামরিক সরকার, একনায়কতন্ত্র - এসব বিভিন্ন ধরনের সরকার ব্যবস্থা রয়েছে। একই রাষ্ট্রে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের সরকার থাকতে পারে। কিন্তু রাষ্ট্রের মূল প্রকৃতি পরিবর্তন হয় না।
গঠনগত ভিন্নতা
গঠনের দিক থেকে রাষ্ট্র এবং সরকারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। রাষ্ট্র গঠিত হয় একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের সমগ্র জনসমষ্টি নিয়ে। একটি রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক, প্রতিটি বাসিন্দা রাষ্ট্রের অংশ। শিশু থেকে বৃদ্ধ, ধনী থেকে দরিদ্র, শিক্ষিত থেকে নিরক্ষর - সবাই রাষ্ট্রের সদস্য।
কিন্তু সরকার এই বিশাল জনসমষ্টির একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। সরকারে থাকেন শাসকগোষ্ঠী, নির্বাহী কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং নীতিনির্ধারকরা। তারা সংখ্যায় অত্যন্ত কম হলেও রাষ্ট্রের পক্ষে কাজ করেন এবং সমগ্র জনগণকে পরিচালনা করেন। লাখ লাখ বা কোটি কোটি মানুষের রাষ্ট্রে সরকারে হয়তো কয়েক হাজার বা কয়েক লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকেন।
সরকার রাষ্ট্রের মুখপত্র
রাষ্ট্র একটি স্বাধীন ও সামগ্রিক প্রতিষ্ঠান হলেও সরকার রাষ্ট্রের সমতুল্য নয়। সরকার আসলে রাষ্ট্রের মুখপত্র বা প্রতিনিধি মাত্র। রাষ্ট্র যেহেতু বিমূর্ত ধারণা, তাই রাষ্ট্র নিজে কথা বলতে পারে না, কাজ করতে পারে না। সরকারই রাষ্ট্রের পক্ষে কথা বলে, রাষ্ট্রের পক্ষে কাজ করে।
রাষ্ট্রের যে ইচ্ছা, উদ্দেশ্য ও আদর্শ রয়েছে, সেগুলো সরকারের মাধ্যমে প্রকাশিত ও বাস্তবায়িত হয়। রাষ্ট্র যদি চায় জনগণের শিক্ষার উন্নয়ন ঘটুক, সেটি বাস্তবায়ন করে সরকার। রাষ্ট্র যদি চায় দেশে আইনশৃঙ্খলা বজায় থাকুক, সেটি নিশ্চিত করে সরকার। এভাবে সরকার রাষ্ট্রের নির্বাহী শক্তি হিসেবে কাজ করে।
রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারের ভূমিকা
রাষ্ট্র একটি চেতনা, ধারণা ও জাতীয়তাবোধের সমন্বয়, যা সরকার দ্বারা পরিচালিত হয়। প্রফেসর গারনার এই সম্পর্কটি খুব সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে, রাষ্ট্র যদি হয় একটি জীবদেহ, তবে সরকার হলো এর মস্তিষ্ক স্বরূপ। যেমন মানুষের শরীর মস্তিষ্কের নির্দেশে চলে, তেমনি রাষ্ট্র সরকারের নির্দেশনায় পরিচালিত হয়।
মস্তিষ্ক ছাড়া যেমন শরীর অচল, সরকার ছাড়া তেমনি রাষ্ট্রও কার্যকর হতে পারে না। সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, নীতি প্রণয়ন করে, আইন প্রয়োগ করে, বিচার ব্যবস্থা পরিচালনা করে এবং সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রের প্রতিটি কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। জীবদেহের মতোই সরকার নামক মস্তিষ্কের নির্দেশে এবং তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্র তার গতিপথ খুঁজে পায়।
সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন
সার্বভৌমত্বের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র এবং সরকারের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। একটি স্বাধীন দেশের বা জাতির সার্বভৌম ক্ষমতার প্রকৃত অধিকারী হলো রাষ্ট্র। সার্বভৌমত্ব মানে সর্বোচ্চ ক্ষমতা, যার ওপরে আর কোনো ক্ষমতা নেই। রাষ্ট্র তার ভূখণ্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী এবং কোনো বাইরের শক্তি রাষ্ট্রের ওপর কর্তৃত্ব করতে পারে না।
কিন্তু সরকার সার্বভৌম ক্ষমতার প্রকৃত অধিকারী নয়। সরকার সার্বভৌম ক্ষমতার পরিচালক বা রক্ষক মাত্র। রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব সরকারের মাধ্যমে প্রয়োগ হয়। জনগণের কাছ থেকে যে ক্ষমতা রাষ্ট্রের কাছে ন্যস্ত থাকে, সরকার সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করে রাষ্ট্র পরিচালনা করে। সরকার বদলালে সার্বভৌম ক্ষমতা হাতবদল হয় না, কারণ সেই ক্ষমতা রাষ্ট্রের।
আইন ও শাসনতন্ত্রের উৎস
রাষ্ট্র হলো স্বীয় পরিমণ্ডলে প্রবর্তিত সকল আইন, সাংবিধানিক রীতিনীতি এবং নিয়মকানুনের আধার বা উৎস। রাষ্ট্রের কর্তৃত্বে সংবিধান রচিত হয়, আইন প্রণীত হয়, নীতিমালা তৈরি হয়। রাষ্ট্রই এসবের মূল উৎস এবং এসবের বৈধতা আসে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব থেকে।
অন্যদিকে সরকার এসব আইন, সংবিধান ও রীতিনীতির রক্ষক এবং প্রবর্তনকারী বা নির্বাহী মাত্র। সরকার আইন তৈরি করে ঠিকই, কিন্তু সেই আইন তৈরির ক্ষমতা পায় রাষ্ট্রের কাছ থেকে। সরকার সংবিধান অনুসরণ করে চলে এবং সংবিধান বাস্তবায়ন করে। আইন প্রয়োগ করে, কিন্তু নিজে আইনের উর্ধ্বে নয়। সরকার মূলত রাষ্ট্রের আইনগত কাঠামোর নির্বাহক হিসেবে কাজ করে।
ভৌগোলিক অবস্থানের বিচার
রাষ্ট্র ভৌগোলিকভাবে স্থিত একটি প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রের একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড থাকতেই হবে এবং রাষ্ট্র সেই ভূখণ্ডের সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত। রাষ্ট্রকে তার ভূখণ্ড থেকে আলাদা করা যায় না। বাংলাদেশ রাষ্ট্র মানে বাংলাদেশের ভূখণ্ড এবং সেখানকার সব উপাদান।
কিন্তু সরকার ভৌগোলিকভাবে আবদ্ধ নয়। অনেক সময় সরকার রাষ্ট্রের বাইরে থেকেও কার্য পরিচালনা করতে পারে। ইতিহাসে এর অনেক উদাহরণ রয়েছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে কলকাতায় স্থাপিত বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার বাংলাদেশের বাইরে থেকে দেশ পরিচালনা করেছে। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে পূর্ব তিমুরের সরকার কিছু সময়ের জন্য স্বাধীন ভূখণ্ডের বাইরে থেকে কাজ করেছে। নির্বাসিত সরকারের ধারণাও এখানে প্রাসঙ্গিক।
ক্ষমতার সীমা ও পরিধি
রাষ্ট্র সার্বভৌম বলে এর ক্ষমতা তাত্ত্বিকভাবে অসীম এবং কখনো সুনির্ধারিত নয়। রাষ্ট্র তার ভূখণ্ডের মধ্যে যা ইচ্ছা তাই করার ক্ষমতা রাখে। রাষ্ট্রের ওপরে আর কোনো কর্তৃপক্ষ নেই যে রাষ্ট্রকে নিয়ন্ত্রণ করবে। রাষ্ট্রের ক্ষমতা তার নিজস্ব সংবিধান এবং আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হলেও বাইরের কোনো শক্তি রাষ্ট্রের ক্ষমতা সীমিত করতে পারে না।
পক্ষান্তরে সরকার রাষ্ট্র প্রদত্ত সীমিত ক্ষমতার অধিকারী। সংবিধান এবং আইন দ্বারা সরকারের ক্ষমতা সুস্পষ্টভাবে নির্ধারিত থাকে। সরকার যা খুশি তাই করতে পারে না। সরকার সংবিধান এবং আইনের মধ্যে থেকে কাজ করতে বাধ্য। সরকার যদি এই সীমা লঙ্ঘন করে, তবে তা অসাংবিধানিক বলে গণ্য হয়। রাষ্ট্রের অসীম ক্ষমতা সরকার শুধুমাত্র পরিচালনা করে, কিন্তু সেই ক্ষমতার মালিক নয়।
দায়বদ্ধতার প্রশ্ন
জনগণের অধিকার, অভিযোগ এবং কল্যাণের ব্যাপারে রাষ্ট্র জনগণের অভিভাবক এবং চূড়ান্ত দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের নিরাপত্তা, কল্যাণ এবং অধিকার নিশ্চিত করা। জনগণ রাষ্ট্রের কাছে দায়বদ্ধতা আশা করে এবং রাষ্ট্র জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ।
অন্যদিকে সরকার সরাসরিভাবে রাষ্ট্রের নিকট দায়ী। সরকার রাষ্ট্রের পক্ষে কাজ করে এবং রাষ্ট্রের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। যদিও আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার জনগণের কাছেও সরাসরি দায়বদ্ধ, তবু তাত্ত্বিকভাবে সরকার রাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে। জনগণের অভিযোগের চূড়ান্ত নিরসন করে রাষ্ট্র,
কফিপোস্টের সর্বশেষ খবর পেতে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেল অনুসরণ করুন।
© কফিপোস্ট ডট কম
অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন